বাকবাকুম – ২

গত এক বছরে সবকিছু কেমন জানি উলটে পালটে গেছে। প্রায় গত ছয় মাস থেকে বেকার বসে আছি। বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ করেও চাকুরি জুটছেনা কপালে। আমি ভাগ্যকে মেনে নিয়েছি। আল্লাহ তাআলা যেটা চান সেটাই তো আমার জন্য ভাল। তিনি না চাইলে তো আমার আর কিছু করার নেই। আল্লাহও প্ল্যান করেন, আমরাও প্ল্যান করি। নিঃসন্দেহে আল্লাহর প্ল্যান আমাদের প্ল্যানের চেয়ে অনেক ভাল। আইইউটিতে পড়ার সময় কত প্ল্যান করে স্বপ্ন দেখেছিলাম। সত্যি কয়টা হয়েছে? কপালের ওপর আসলে কিছু করার নাই।

সবকিছুর স্রোতে ইদানিং কেমন জানি আউলা হয়ে গেছি। নিজের কোন হিসাব নিকাশ নাই। আগে ডায়েরী বা ব্লগ লেখার প্রতি আকর্ষন ছিল। ইদানিং ডায়েরী বা ব্লগ লিখতে কেমন জানি আনইজি লাগে। কিন্তু কিছু স্মৃতি টুকে রাখতে পারলে সম্ভবত ভবিষ্যতে আমার সুবিধা হতে পারে। সেজন্যই প্রাইভেট একটা ব্লগটা ওপেন করলাম। মনের কথাগুলো আজ থেকে এখানে টুকে রাখার চেষ্টা করব। ব্লগটা যেহেতু প্রাইভেট সেহেতু অস্বস্তি লাগবে না বলেই মনে হয়। বাকিটুকু পড়ুন

বাকবাকুম – ১

মাথার ভেতর মাঝে মাঝেই কিছু উদ্ভট কথা ঘোরে। উদ্ভট কথাগুলো টুকে রাখব ভাবছি। এই টুকে রাখাই বাক-বাকুম সিরিজ। সিরিজটা কন্টিনিউ করার ইচ্ছা আছে। দেখা যাক কতদূর পারি।

২.
মানুষের জীবনটা আসলে সুখী হওয়ার জন্য না। পৃথিবীতে মানুষ যে ধরণের সুখ চায়, সে ধরনের সুখের জন্য তিনটা জিনিস দরকার- উদ্যম, টাকা, সময়। কিন্তু দুঃখের বিষয় এই তিনটা জিনিস একসাথে পাওয়া যায়না, একটা আরেকটার ট্রেড-অফ। বাকিটুকু পড়ুন

লিরিকঃ বর্ষণ নয় শুধু শ্রাবণে

মন ভেঙ্গে যায়
এ সময়টায়
অকারণ বর্ষণ গোপনে
হিম হিম শীত
পুরনো অতীত
বর্ষণ নয় শুধু শ্রাবনে…

ভেজা ভেজা মেঘ
তৃষিত আবেগ
শিহরণ অনুক্ষন এ মনে
পিপাসিত মন
স্মৃতিতে ভ্রমন
মন পড়ে থাকে শুধু স্বপনে।

মন ভেঙ্গে যায়
এ সময়টায়
অকারণ বর্ষণ গোপনে
হিম হিম শীত
পুরনো অতীত
বর্ষণ নয় শুধু শ্রাবনে…

শিক্ষামূলক গল্প-৫ : পঁচা টমেটো

ইমরান রহমান একজন স্কুল শিক্ষক। ছাত্রদের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ এবং শিক্ষাদানের অভিনব কৌশলের জন্য তিনি ছাত্রমহলে বেশ জনপ্রিয়। একদিন ক্লাশে এসে ছাত্রদের বললেন, “আমি তোমাদের সাথে একটা গেম খেলতে চাই, খেলবে তোমরা গেম?”

ছাত্ররা তো মহাখুশি। গেম কে না খেলতে চায়! সবাই এক বাক্যে রাজী। গেম খেলবে তারা।
– “ঠিক আছে। আগামীকাল একটা ব্যাগে করে কিছু টমেটো নিয়ে আসবে তোমরা। ওকে?” বাকিটুকু পড়ুন

শিক্ষামূলক গল্প-৪ : দেওয়ালে গাঁথা পেরেকগুলো

ছোট্ট বাবু আব্দুল্লাহর মেজাজ প্রচণ্ড গরম ছিল একসময়। অল্পতেই রেগে যেত অনেক, কিছুতেই নিজেকে কন্ট্রোল করতে পারত না । ছেলেকে নিয়ে আব্বু বেশ ঝামেলায় পড়ে যায়। অনেকক্ষন আনমনে চিন্তা করলো আব্বু। ব্যাগভর্তি পেরেক আব্দুল্লাহর হাতে ধরিয়ে দিয়ে বললো, “এখন থেকে যখনই তোমার প্রচণ্ড রাগ হবে, হাতুড়ি দিয়ে দেওয়ালের গায়ে পেরেক গাঁথবে।” বাকিটুকূ পড়ুন

✶ রোজনামচা – ২৬.১০.২০১১ ✶

আগামীকাল আমাদের কনভোকেশান। আজ অনেক ব্যস্ত একটা দিন গেল। সকালে ঘুম থেকে উঠেই দৌড় অডিটোরিয়ামে। কনভোকেশানের রিহার্সেল হলো। ইয়া বিশাল একটা গাউন, হ্যাট আরেকটা কি জানি আছে আমি ঠিক নাম জানিনা ওটার – এসব পরে কেমন জানি অদ্ভুত লাগছিল আমাদের। সবকিছু কেমন জানি অভিনয় অভিনয় মনে হচ্ছিল। K.K. স্যার প্রধান অতিথির ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন। বাকিটুকু পড়ুন