বাকবাকুম – ১

মাথার ভেতর মাঝে মাঝেই কিছু উদ্ভট কথা ঘোরে। উদ্ভট কথাগুলো টুকে রাখব ভাবছি। এই টুকে রাখাই বাক-বাকুম সিরিজ। সিরিজটা কন্টিনিউ করার ইচ্ছা আছে। দেখা যাক কতদূর পারি।

২.
মানুষের জীবনটা আসলে সুখী হওয়ার জন্য না। পৃথিবীতে মানুষ যে ধরণের সুখ চায়, সে ধরনের সুখের জন্য তিনটা জিনিস দরকার- উদ্যম, টাকা, সময়। কিন্তু দুঃখের বিষয় এই তিনটা জিনিস একসাথে পাওয়া যায়না, একটা আরেকটার ট্রেড-অফ। বাকিটুকু পড়ুন

লিরিকঃ বর্ষণ নয় শুধু শ্রাবণে

মন ভেঙ্গে যায়
এ সময়টায়
অকারণ বর্ষণ গোপনে
হিম হিম শীত
পুরনো অতীত
বর্ষণ নয় শুধু শ্রাবনে…

ভেজা ভেজা মেঘ
তৃষিত আবেগ
শিহরণ অনুক্ষন এ মনে
পিপাসিত মন
স্মৃতিতে ভ্রমন
মন পড়ে থাকে শুধু স্বপনে।

মন ভেঙ্গে যায়
এ সময়টায়
অকারণ বর্ষণ গোপনে
হিম হিম শীত
পুরনো অতীত
বর্ষণ নয় শুধু শ্রাবনে…

শিক্ষামূলক গল্প-৫ : পঁচা টমেটো

ইমরান রহমান একজন স্কুল শিক্ষক। ছাত্রদের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ এবং শিক্ষাদানের অভিনব কৌশলের জন্য তিনি ছাত্রমহলে বেশ জনপ্রিয়। একদিন ক্লাশে এসে ছাত্রদের বললেন, “আমি তোমাদের সাথে একটা গেম খেলতে চাই, খেলবে তোমরা গেম?”

ছাত্ররা তো মহাখুশি। গেম কে না খেলতে চায়! সবাই এক বাক্যে রাজী। গেম খেলবে তারা।
– “ঠিক আছে। আগামীকাল একটা ব্যাগে করে কিছু টমেটো নিয়ে আসবে তোমরা। ওকে?” বাকিটুকু পড়ুন

শিক্ষামূলক গল্প-৪ : দেওয়ালে গাঁথা পেরেকগুলো

ছোট্ট বাবু আব্দুল্লাহর মেজাজ প্রচণ্ড গরম ছিল একসময়। অল্পতেই রেগে যেত অনেক, কিছুতেই নিজেকে কন্ট্রোল করতে পারত না । ছেলেকে নিয়ে আব্বু বেশ ঝামেলায় পড়ে যায়। অনেকক্ষন আনমনে চিন্তা করলো আব্বু। ব্যাগভর্তি পেরেক আব্দুল্লাহর হাতে ধরিয়ে দিয়ে বললো, “এখন থেকে যখনই তোমার প্রচণ্ড রাগ হবে, হাতুড়ি দিয়ে দেওয়ালের গায়ে পেরেক গাঁথবে।” বাকিটুকূ পড়ুন

✶ রোজনামচা – ২৬.১০.২০১১ ✶

আগামীকাল আমাদের কনভোকেশান। আজ অনেক ব্যস্ত একটা দিন গেল। সকালে ঘুম থেকে উঠেই দৌড় অডিটোরিয়ামে। কনভোকেশানের রিহার্সেল হলো। ইয়া বিশাল একটা গাউন, হ্যাট আরেকটা কি জানি আছে আমি ঠিক নাম জানিনা ওটার – এসব পরে কেমন জানি অদ্ভুত লাগছিল আমাদের। সবকিছু কেমন জানি অভিনয় অভিনয় মনে হচ্ছিল। K.K. স্যার প্রধান অতিথির ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন। বাকিটুকু পড়ুন

শিক্ষামূলক গল্প-৩ : মন ভালো করে দেয়া একটি গল্প

অনেক কাল আগের কথা। একজন দরিদ্র লোক একটি দুর্গম পাহাড়ী এলাকায় পানি বহনের কাজ করত। তার দুইটি পাত্র ছিল, একটি লাঠির দুই প্রান্তে পাত্র দুটি ঝুলিয়ে কাঁধে নিয়ে সে পানি বহন করত। রোজ অনেকটা পথ তাকে হেঁটে পাড়ি দিতে হত।

দুটি পাত্রের একটি কিছুটা ভাঙ্গা, আরেকটি ত্রুটিহীন। পানি নিয়ে যেতে যেতে ভাঙ্গা পাত্রটি প্রায় অর্ধেক খালি হয়ে যেত। অপরদিকে ত্রুটিহীন পাত্রটি প্রতিদিন সুন্দরভাবে কানায় কানায় ভরে পানি পৌছে দিত। এভাবে দরিদ্র লোকটি রোজ তার মনিবের বাড়িতে এক পাত্র আর অর্ধেক অর্থাৎ দেড় পাত্র পানি পৌছে দিত।স্বাভাবিকভাবেই, ভালো পাত্রটি তার এ কাজের জন্য খুব গর্বিত ও আনন্দিত থাকত। অপরদিকে ভাঙ্গা পাত্রটির মন খুব খারাপ থাকত। সে খুব লজ্জিত আর বিমর্ষ থাকত। কেননা তাকে যে কাজের জন্য বানানো হয়েছিল সে তার সেই কাজ পুরোপুরিভাবে করতে পারছিল না। বাকিটুকু পড়ুন