আছি আমি ফেইসবুকে !

দুঃখিত! প্রথমেই ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি অনিয়মিত হয়ে যাবার জন্য। আলসেমীর কারণে ব্লগটা অনেকদিন থেকেই আপডেট করা হচ্ছেনা। স্ট্যাট থেকে জানতে পারছি অনেকেই এসে ঘুরে যাচ্ছেন। তাদের হতাশ করার জন্য আমি দুঃখিত। ফেসবুক পেজটায় মোটামুটি রেগুলার আমি। সেখানে লেটেস্ট আপডেট পাবেন ইনশাল্লাহ।

Casual Leave

কাল সকালে অফিস আছে, উঠতে হবে ভোরে
ঘুমাতে এখন মন চায়না ভাল লাগার ঘোরে
খুব দ্রুত হায় সময় যে যায়, পাইনা অবসর
মন তো বলে থমকে সময় থাকুক নিরন্তর।

মাঝ রাতের এই বৃষ্টিটাকে খুব যে ভাল লাগে
এই বৈশাখে, এভাবেই যদি শ্রাবনী পাশে জাগে
সন্ধ্যা বেলার খুনসুটি আর, রাতের কপট রাগে
সময়টা হায় বেজায় দৌড়ায়; থাকতো যদি বাগে!

খুব সকালে উঠতে হবে, অফিস দিতে দৌড়
মাঝ রাতটাই থাকতো যদি, না হতো আজ ভোর!
আকাশ-কুসুম, কল্পনার ধুম; চাকুরী ব্যাটাই চোর
চাকর আমি; কামলাগিরিই ক্ষমতার আমার দৌড়।

এক নোটিশেই দাওনা বলে কালকে অফিস ছুটি
নাওনা তুলে নিয়ম কানুন, আমরা বাঁধি জুটি।
কামলারাও আজ স্বপ্ন দেখুক , দাওনা ছেড়ে টুঁটি
এই পৃথিবীর সৌন্দর্যটার আমরাও কিছু লুটি।

তোমরা তো ভাই বড় বড় লোক, আমাদের কথাও ভেব
কালকে কি ভাই দেবে ছুটি? পাওনা থেকেই নেব?
casual leave অধিকার নয়, চাইলেই কি আর পাব?
থাক! ছুটির আর নেই দরকার; সকালেই অফিস যাব।

আমার বিয়ে

আইইউটিতে যখন ফোর্থ ইয়ারে পড়ি (২০১০ এর শেষদিকে) তখনই সাহস করে বাসায় বলে ফেললাম “আব্বা,বিয়ে করব”।

আমাদের দেশে ছাত্রাবস্থায় বিয়ে করতে চাওয়াটাকে এক ধরণের অপরাধ হিসেবেই ধরা হয়। আমার বাসায়ও ভয় পেয়ে গেল। আমাকে অনেক বুঝিয়ে শুনিয়ে বললো, “কোনমতে জাস্ট পাসটা কর, তারপরই বিয়ে দিয়ে দিব; চাকুরিও পাবার দরকার নাই। এখন বিয়ে করলে মানুষ কি বলবে? মান-সম্মান থাকবে?”

আমিও বুঝলাম। পাস করে বের হবার পর বেকার ছিলাম প্রায় ৯ মাস। তখন তো বিয়ের কথা মুখে আনা প্রায় অসম্ভবই। এরপর মোটামাটি আয়-রোজগারের একটা ব্যবস্থা হলো (মাসে ১৮ হাজার টাকার মত)। এর কিছুদিন পর বাসায় আবার বললাম বিয়ে করার কথা। আব্বা বললেন – এই টাকায় ফ্যামিলি চালাতে পারবি? ঢাকা শহরে তো বাড়িভাড়াই হবেনা এই টাকায়। আমি কিন্তু ১ টাকাও দিতে পারব না। You have to be at your own! ভেবে দেখ।

সাত-পাঁচ ভেবে পিছিয়ে আসলাম। ঠিকই তো! এই টাকায় চলব কিভাবে? এভাবে আরও কিছুদিন গেল। আবার বললাম। আবার একই উত্তর। আবার পিছালাম। এভাবেই চললো কিছুদিন।

শেষমেস ঠিক করলাম। দরকার হলে রিস্কই নিব। আমার পরিচিত অনেকে তো মাসে ৮ হাজার টাকা স্যালারি পেয়েও ২-৩ জন ছেলেমেয়ে নিয়ে সুন্দর সংসার চালাচ্ছে, তাঁরা পারলে আমি পারবনা কেন? লাইফ-স্ট্যান্ডার্ড নিচে নামিয়ে আনতে হবে? আনব। দরকার হলে বস্তিতে থাকব।

এরপর বিয়েটা করেই ফেললাম (জুন, ২০১৩)। আমার ২ ফ্রেন্ডের কাছে ২০ হাজার ও ৩০ হাজার করে মোট ৫০ হাজার টাকা ধার করলাম। হবু বউকে আগেই জানিয়ে দিলাম আমি গরিব মানুষ। পুঁজি বলতে আমার এই ৫০ হাজার টাকাই। এর বেশি মোহরানা দেওয়া আমার পক্ষে সম্ভব না, আর পুরোটাই নগদ দিতে চাই। সে রাজি হলো।

কিভাবে জানি আরও ১০ হাজার টাকা ম্যানেজ হলো। বিয়ের দিন কি কি সব খরচে দেখি ২ হাজার টাকা শর্ট! দৌড়ায়ে গেলাম ছোট ভাইয়ের কাছে। বিভিন্ন সময়ে সে আত্মীয়-স্বজনদের কাছ থেকে পাওয়া ১০০, ২০০ টাকা মিলিয়ে যে ২-৩ হাজার টাকা জমিয়েছিল তা থেকে ২ হাজার টাকা ধার দিল।বিয়ে হয়ে গেল।

বিয়ের পরদিন বউয়ের কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নিয়ে পাওনাদারদের ধার শোধ করলাম ধীরে ধীরে। বিয়ের আগেই একটা বাসা ভাড়া নিয়ে রেখেছিলাম । ভাড়া ৭ হাজার টাকা প্রতি মাসে। বিয়ের ৩-৪ দিন পরই ঢাকায় চলে আসলাম নতুন বাসায়। ফার্নিচার বলতে মেসে থাকার জন্য কেনা ১ হাজার টাকা দামের একটা চৌকি আর ৫০০ টাকা দামের একটা টেবিল আর মেসে মিশুকের ফেলে রেখে যাওয়া একটা প্লাস্টিকের চেয়ার।

সংসার চালানোর জন্য যত খরচ হবে ভেবেছিলাম, দেখলাম বাস্তবে খরচ তার তুলনায় কমই। খরচ বেড়েছে বলতে বাসা ভাড়া ৪ হাজার টাকা (আগে ৩ হাজার লাগত আর তখন ৭ হাজার), খাওয়ার খরচ প্রায় অপরিবর্তিতই আছে (আগে ১০০০ টাকা বুয়া বিল লাগতো সেটা কমে গেছে)। তবে আগে যেমন হাতখুলে খরচ করতাম, তখন সেটা মোটামুটি নিয়ন্ত্রনে নিয়ে আসতে হলো। পার্থক্য এটুকুই। সেই খরচেই সুন্দর চলে যেতে লাগলো।

কয়েকমাস পর বউ বললো একটা ফ্রিজ কেনা দরকার। টাকা জমাতে হবে। কয়েকমাস টাকা জমিয়ে ২০ হাজার টাকার মত হলো। ফ্রিজের দোকানে গেলাম। বউ পছন্দ করলো প্রায় ৩০ হাজার টাকা দামের একটা ফ্রিজ। আমি আনইজি ফিল করা শুরু করলাম। আমার কাছে তো এত টাকা নাই। সব মিলিয়ে বাইশ হাজার টাকা হতে পারে। বউ দেখি হাঁসে। এই কয়দিনে বউও প্রায় ৮ হাজার টাকার মতো জমিয়ে ফেলেছে সংসারের খরচ সেভ করে।

এখনো মাঝে মাঝে অবাক লাগে। আগে টাকার ভয়ে বিয়ে করতে পারিনি আমি। বিয়ের আগে প্রায় এক-দেড় বছর যে আয় ছিল, বিয়ের প্রায় বছরখানেক পর পর্যন্তও আয় ছিল একই। বিয়ের আগের প্রায় এক বছরে সেভিংস ছিল শূন্য টাকা। বিয়ের পরের এক বছরেও সেভিংস শূন্য, কিন্তু ২ জনের একটা সংসার চালিয়েও ফ্রিজসহ আরও অনেক কিছু কেনা হয়ে গেছে!

বিয়ে করলে আসলেই আয়ে বরকত আসে। রিজিকের মালিক আল্লাহ- এটা নতুন করে অনুভব করেছিলাম তখন। যারা বিয়ে করবেন মনস্থির করেছেন, পাত্রীও ঠিক করা আছে কিন্তু টাকার ভয়ে বিয়ে করতে পারছেন না, সাহস করে বিয়েটা করেই ফেলুন। ইনশাল্লাহ, আয়ে বরকত আসবে। রিজিকের মালিক তো আল্লাহই। অপচয় না করলে আর অলস না হলে তো অভাব হবার কথা না।

ফুটনোটঃ বিয়ের জন্য যে দুই ফ্রেন্ডের কাছ থেকে টাকা ধার নিয়েছিলাম, ধার শোধ করে তাঁদের বিয়ের সময়ও সেই একই পরিমান টাকা ধার দিতে পারার সৌভাগ্য আমার হয়েছিল। মাঝে মাঝে এই ৫০ হাজার টাকাকে খুব বরকতময় মনে হয়! কি সুন্দর এই হাত থেকে ঐ হাতে যাবার অছিলায় ৩ জনের বিয়ে সুন্দরভাবে হয়ে গেল!

* এর মানে কিন্তু এই না যে হুটহাট বিয়ে করে ফেলা উচিত। বিয়ে করার আগে অবশ্যই বউয়ের ভরণ-পোষনের দায়িত্ব নিতে পারতে হবে (গোশত ভাত খাওয়াতে না পারলেও অন্তত নুনভাত খাওয়াতে পারতে হবে)। বাবা-মা এর জন্য যেন বোঝা না হয়ে যান সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে।

** পরিবার/অভিভাবকের অনুমতি/সম্মতি ছাড়া বিয়ে করা উচিত নয়। দরকার হলে হাতে পায়ে ধরে কান্নাকাটি করে হলেও পরিবারকে রাজি করিয়ে তারপরই বিয়ে করবেন। আমাদের অভিভাবকরা তো আর পাথর নন, লেগে থাকলে উনারা রাজি একসময় হবেনই। নিয়মিত ঘষতে থাকলে পাথরও ক্ষয় হয়ে যায়, আর এটা তো মানুষের মন!

গল্পে গল্পে বাংলা উপসর্গ মনে রাখার সহজ উপায়

প্রথমেই একটা গল্প শুনিঃ পাতি নামের মেয়েটি অজ, মূর্খ, অঘারাম। সাহা নামের ছেলেটি অনার্স পাশ। এদের আকদ (বিয়ে) হবে এটা এটা কুউন কথা! ইতি নামের মেয়েটি সাহাকে পছন্দ করে। সে তার বন্ধুদের নির্দেশ দিল পাতিকে আড়ে আন। তার বন্ধুরা পাতিকে নিয়ে আসার পর ইতিকে বললো, “আব (এখন) বস্তায় ভর।”

এবার এই গল্পটাকে সংক্ষিপ্ত করে এভাবে লেখা যায়ঃ
পাতি অজ, অঘারাম। সাহা অনাস। কুউন আকদ! আড়ে আন। আব ভর ইতি।

খাটি বাংলা উপসর্গঃ পাতি, অজ, অঘা, রাম, সা, হা, অনা, স, কু, উন, আ, কদ, আড়, আন, আব, ভর, ইতি, আ,সু,নি,বি =২১ টি

আ,সু,নি,বি খাটি বাংলা এবং তৎসম দুই ধরণের উপসর্গেই আছে। তাই এরা কমন। বাকী যা থাকে সেগুলো সবই (বিদেশী ছাড়া) তৎসম উপসর্গ (২০টি)। কাজেই এই সংক্ষিপ্ত গল্পটা মনে রাখতে পারলেই উপসর্গের খেল খতম ইনশাল্লাহ।

তৎসম উপসর্গঃ প্র, পরা, অপ, সম, নি, অনু, অব, নির, দূর, বি, অধি, সু, উৎ, পরি, প্রতি, অতি, অপি, অভি, উপ, আ = ২০ টি।

HR Interview Questions For Job Seekers

Questions At a Glance For Freshers:

1. Tell me about yourself.
2. Why should I hire you?
3. What are your strengths and weaknesses?
4. Why do you want to work at our company?
5. What is the difference between confidence and over confidence?
6. What is the difference between hard work and smart work?
7. How do you feel about working nights and weekends?
8. Can you work under pressure?
9. Are you willing to relocate or travel?
10. What are your goals?
11. What motivates you to do good job?
12. What makes you angry?
13. Give me an example of your creativity.
14. How long would you expect to work for us if hired?
15. Are not you overqualified for this position?
16. Describe your ideal company, location and job.
17. What are your career options right now?
18. Explain how would be an asset to this organization?
19. What are your outside interests?
20. Would you lie for the company?
21. Who has inspired you in your life and why?
22. What was the toughest decision you ever had to make?
23. Have you considered starting your own business?
24. How do you define success and how do you measure up to your own definition?
25. If you won $10 million lottery, would you still work?
26. Tell me something about our company.
27. How much salary do you expect?
28. Where do you see yourself five years from now?
29. On a scale of one to ten, rate me as an interviewer.
30. Do you have any questions for me? বিস্তারিত পড়ুন

পর্যায় সারণী মনে রাখার সহজ কৌশল

এখান থেকে প্রিন্ট করার উপযোগী ৪০০ কিলোবাইটের পিডিএফ ফাইলটি ডাউনলোড করে নিতে পারেন।

আমার এক স্টুডেন্টের জন্য বানিয়েছিলাম। ভাবলাম শেয়ার করি সবার সাথে। অনেকেরই হয়তো কাজে লাগতে পারে। অধিকাংশই ইন্টারনেট থেকে সংগৃহীত। কিছু কিছু আমার নিজের বানানো।

গ্রুপ 1A: H Li Na K Rb Cs Fr
হায়রে! লি না কে রুবি সাজাবে ফ্রান্সে !

সম্পূর্ণ লেখাটি পড়ুন

বাকবাকুম – ২

গত এক বছরে সবকিছু কেমন জানি উলটে পালটে গেছে। প্রায় গত ছয় মাস থেকে বেকার বসে আছি। বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ করেও চাকুরি জুটছেনা কপালে। আমি ভাগ্যকে মেনে নিয়েছি। আল্লাহ তাআলা যেটা চান সেটাই তো আমার জন্য ভাল। তিনি না চাইলে তো আমার আর কিছু করার নেই। আল্লাহও প্ল্যান করেন, আমরাও প্ল্যান করি। নিঃসন্দেহে আল্লাহর প্ল্যান আমাদের প্ল্যানের চেয়ে অনেক ভাল। আইইউটিতে পড়ার সময় কত প্ল্যান করে স্বপ্ন দেখেছিলাম। সত্যি কয়টা হয়েছে? কপালের ওপর আসলে কিছু করার নাই।

সবকিছুর স্রোতে ইদানিং কেমন জানি আউলা হয়ে গেছি। নিজের কোন হিসাব নিকাশ নাই। আগে ডায়েরী বা ব্লগ লেখার প্রতি আকর্ষন ছিল। ইদানিং ডায়েরী বা ব্লগ লিখতে কেমন জানি আনইজি লাগে। কিন্তু কিছু স্মৃতি টুকে রাখতে পারলে সম্ভবত ভবিষ্যতে আমার সুবিধা হতে পারে। সেজন্যই প্রাইভেট একটা ব্লগটা ওপেন করলাম। মনের কথাগুলো আজ থেকে এখানে টুকে রাখার চেষ্টা করব। ব্লগটা যেহেতু প্রাইভেট সেহেতু অস্বস্তি লাগবে না বলেই মনে হয়। বাকিটুকু পড়ুন